নাঙ্গলকোটে সেপটি ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিনিধি
কুমিল্লা নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা পূর্ব ইউনিয়নের আটঘরা গ্রামের প্রবাসী ইউসুফ মজুমদারের বাড়িতে সেপটি ট্যাংক পরিস্কার করতে নেমে লাশ হলেন পাশ্ববর্তী লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের ছিলোনিয়া গ্রামের মৃত আলী আশ্রাফের
ছেলে শাহ জালাল (৫৮)
সোমবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান স্থানীয়রা।
জাতীয় জরুরী সেবার মাধ্যমে খবর পেয়ে লাকসাম ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট এসে সুইপার শাহ জালালের লাশ উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশকে হস্তান্তর করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ছিলোনিয়া গ্রামের শাহ জালাল ৪০ বছর পূর্বে একই জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা পূর্ব ইউনিয়নের শ্রীহাস্য গ্রামের মৃত আলি মিয়ার মেয়ে হালিমা বেগমকে বিয়ে করে শ্বশুর বাড়িতে স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করে। শাহজালাল ও হালিমা দম্পত্তির কোন সন্তান নেই। গত ২ বছর পূর্বে হালিমা মারা গেলেও এই এলাকার টানে তিনি থেকে যান শ্বশুর বাড়িতে। শাহ জালাল নিজ এলাকায় পূর্বে একটি বিয়ে করে, ওই পরিবারে তার ২টি কন্যা সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে। শাহ জালাল সুইপারের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সোমবার সকালে শাহ জালাল প্রথমে আটঘরা গ্রামের শাহ আলম মেস্ত্রীর সেপটিক ট্যাংক পরিস্কার করে, পরে পাশ্ববর্তী বাড়ির ইউসুফ মজুমদারের সেপটিক ট্যাংকে সাবমার্সিবল পাম্প দিয়ে পরিস্কার কাজ শরু করেন। পানি পরিস্কারের পর নিচের ময়লা গুলো পরিস্কার করতে তিনি ট্যাংকের ভিতরে গিয়ে অনেক্ষণ যাবৎ বের না হওয়ায় উপর থেকে স্থানীয়রা তাকে ট্যাংকের তলায় পড়ে থাকতে দেখে জাতীয় জরুরী সেবায় ৯৯৯ এ ফোন করে। জরুরী সেবার মাধ্যমে খবর পেয়ে লাকসাম ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে একটি ইউনিট ও নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওই সুইপারের মৃত দেহ উদ্ধার করে।
লাকসাম ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে কর্মরত লিডার মোর্শেদ আলম বলেন একটি ব্যবহৃত সেপটিক ট্যাংক থেকে লাশটি উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক রবিউল জানান খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। পরে লাকসাম ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট এসে সেপটিক ট্যাংক থেকে ওই সুইপারের লাশ উদ্ধার করে আমাদের নিকট হস্তান্তর করে। সুইপার শাহ জালালের লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
Unauthorized use of news, image, information, etc published by %sitename% is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.
সম্পাদকঃ মো. তাজুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আনিকা তাহসিন, বার্তা সম্পাদক: তৈয়বুর রহমান সোহেল, উপদেষ্টা সম্পাদক: এম এস দোহা, আইন উপদেষ্টা: এডভোকেট মোহাম্মদ কেফায়েত উল্লাহ মোল্লা।
ঠিকানাঃ ৬০/বি, পুরানা পল্টন, ঢাকা- ১০০০,মোবাইল: ০১৭১৫ ২৫২৩২৫, ইমেইল: sangbadprotikhan1@gmail.com
