একমাসের মধ্যেই রেলবহরে যুক্ত হচ্ছে উপহারের ২০ লোকোমোটিভ
একমাসের মধ্যেই রেলবহরে যুক্ত হচ্ছে উপহারের ২০ লোকোমোটিভ
বাংলাদেশ রেলওয়েকে ডিজেলচালিত ২০টি ভারতীয় ডব্লিউডিএম-৩ডি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) উপহার দিয়েছে ভারত। লোকোমোটিভগুলো চুয়াডাঙ্গা দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশন সংলগ্ন রেল ইয়ার্ড থেকে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ডিজেল লোকোমোটিভ রানিং শেডে নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রেল পরিদর্শকের অনুমতি সাপেক্ষে এগুলো এক মাসের মধ্যে রেল বহরে যুক্ত হবে।
Advertisement
মঙ্গলবার (২৩ মে) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ রেলওয়ে ভবনে লোকোমোটিভ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এবং ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
তবে লোকোমোটিভ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলস্টেশন থেকে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশের পশ্চিম রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার অসীম কুমার তালুকদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গেদে রেলওয়ে স্টেশন থেকে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন ভারতের রেলওয়ে কর্মকর্তারা।
এ সময় ভার্চুয়ালি বক্তব্যে দুদেশের মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক উত্তরোত্তর বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনে দুই দেশের রেলওয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে ব্রডগেজ লোকোমোটিভগুলো (ইঞ্জিন) হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তবে বৃষ্টির কারণে হস্তান্তর প্রক্রিয়া কিছুটা দেরি হয়।
চুয়াডাঙ্গা দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনের ব্যবস্থাপক মির্জা কামরুল হক জানান, ভারত সরকার উপহার হিসেবে বাংলাদেশকে ২০ লোকোমোটিভ উপহার দিয়েছে। এতে দুদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে। ভার্চুয়ালি দুদেশের রেলমন্ত্রী হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ইঞ্জিনগুলো ভারতের প্রতিনিধিদলের কাছ থেকে বুঝে নেওয়া হয়েছে।
ভারতের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (শিয়ালদহ-কলকাতা) অশোক কুমার বিশ্বাস বলেন, আমরা ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ২০টি লোকোমোটিভ বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের কাছে হস্তান্তর করলাম। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ আরও ভালো করার জন্য এই লোকোমোটিভগুলো দেওয়া হলো। বাংলাদেশ এতে উপকৃত হবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) অসিম কুমার তালুকদার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের রেল সংশ্লিষ্ট প্রায় ছয়টি প্রজেক্ট চালু আছে। রেলের যেকোনো সমস্যায় আমরা বিভিন্ন সময় ভারতকে পাশে পাই। ঠিক তেমনি আজ ২০টি লোকোমোটিভ ভারত আমাদের দিয়েছে। এ লোকোমোটিভগুলো আমাদের (বাংলাদেশের) খুব কাজে লাগবে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল ৫টায় আমরা সবগুলো লোকোমোটিভ ভারতীয় প্রতিনিধি দলের কাছ থেকে বুঝে নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, লোকোমোটিভগুলো আমরা দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলস্টেশন থেকে ঈশ্বরদী নিয়ে যাচ্ছি। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রেল পরিদর্শকের অনুমতি নিয়ে আগামী এক মাসের মধ্যে আমাদের রেল বহরে লোকোমোটিভগুলো সংযুক্ত করতে পারবো বলে আশা করছি।
সদ্যপ্রাপ্ত
কারিগরি সহযোগিতায়: মিশন টেকনোলজি ৬০/বি, পুরানা পল্টন, ঢাকা ১০০০
